বাংলাদেশের শেষ ৭ দিনের করনা অবস্থা

বাংলাদেশের শেষ ৭ দিনের করনা অবস্থা

বাংলাদেশের শেষ ৭ দিনের করনা অবস্থা:





২১৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২১ তম মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ৭০০ আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়ালো অর্ধলাখ আজকের বিশ্লেষণ তুলে ধরব দেশের পরিস্থিতির নানাদিক।

শুরুতেই গেল ২৪ ঘন্টার সার্বিক চিত্র। ২৪ ঘন্টা করা হয়েছে ১২৭০৪ জনের নমুনা যাদের মধ্যে করনা শনাক্ত হয়েছে ২৯১১ জনের দেহে। মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৩০০১ জন এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১২৪৪৫ জোন।২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণ করেছেন 37 জন মৃত্যুবরণকারী রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৭০৯ জন । 24 ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫২৩ জন এনাকা সুস্থ হলেন ১১১২০ জন।

দেখে নিবো শেষ ৭ দিনের করনা অবস্তা:


আড়াই হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং আমরা দেখছি যে প্রতি ১০০ জনের শনাক্তর হার কিন্তু শেষ পাঁচ দিনে কিন্তু ২০ শতাংশের উপরে ছিল তবে এরমধ্যে আজকে আমরা দেখছি যে শনাক্তের সংখ্যা এবং 682 কিন্তু বেশি আজ শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯১১ জন এবং সত্যের প্রতি ১০০ জনে প্রায় ৩০ জন রোগীকে শনাক্ত হয়েছে ২২.২৯ এবং কেন সাত দিনের মধ্যে সবথেকে কম রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৭ মেয়েদের ১৫৪১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং অত্যন্ত কম ছিল ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ জনসংখ্যা তিন মাসের সংক্রমণ প্রবণতা চিত্র আমরা বেশি সংক্রমণ শুরু হবার পর তিন মাস চলছে এসবের মধ্যে সংক্রমনের আমরা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দেখছি একমাস আগে দুই মে রোগীর সংখ্যা ছিল ৯,০০০ এরকম কিন্তু আমরা এক মাস পর দুই জুন রোগীর সংখ্যা দেখছি ১২,৪৪৫ জন । বলে যাই যে, গেল এক মাসে রোগীর সংখ্যা কিন্তু প্রায় দশগুণ বেড়েছে।


আমরা এবার দেখে নেব বাংলাদেশের মৃতের রেখাচিত্র।


 আমরা দেখতে পাচ্ছি যে গেল ৮ মার্চ প্রথম বাংলাদেশের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুবরণ করেন ১৮ মার্চ একজন রোগী এবং এর এক মাস পর ১৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করা রোগীর সংখ্যা কিন্তু ছিল ৮৪ জন এর এক মাস পর ১৮ মে মৃত্যুবরণ করা রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৪৯ জন আজ দুই জন মৃত্যুবরণ করা রোগীর সংখ্যা কিন্তু দাঁড়িয়েছে ৭০৯ জনে এবং লিঙ্গ বিভাজনে বরাবরের মতো আমরা দেখছি যে নারীদের থেকে পুরুষরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আমরা দেখছি যে এই পর্যন্ত আক্রান্তের ৭১%, কিন্তু পুরুষ এবং ২৯ শতাংশ কিন্তু নারী। আমরা দেখব আক্রান্তের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণ আমি দেখতে পাচ্ছি যে বাংলাদেশ আক্রান্তদের মধ্যে আসলে বয়সে তরুণরাই বেশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে আক্রান্তদের সবথেকে বেশি একজনের জন্য কিন্তু তরুণ।


আমরা দেখছি যে ১০০ জনের ২৭ জনের বয়স কিন্তু ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে এর মধ্যে আমরা দেখছি যে সব থেকে কম ১ থেকে ২০ বছর বয়সেই রোগীর সংখ্যা এবং এরপর আমরা দেখছি যে ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ১৭%। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১১% ।ষাটোর্ধ্ব রোগীর সংখ্যা দেখতে পাচ্ছি আমরা ৭।মৃতের হারটা বয়সে সমানুপাতিক অর্থাৎ বয়স বেশি হওয়ার সাথে সাথে কিন্তু আমরা দেখছি মৃত্যুবরণ করা রোগীর সংখ্যাই বেশি আমরা দেশের সবথেকে বেশি মৃত্যুবরণ করেছে এবং দেখছি যে যারা মৃত্যুবরণ করছে তাদের ৩৭.০৮ ভাগ অর্থাৎ ১০০ জনের ৩৭ জনের বেশি কিন্তু ৬০ বছর বয়সী বা তার উর্ধে আমরা এর পরে দেখছি যে ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩১ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং আমরা বলতে পারি যে ৫১ থেকে ৬০ বছর অর্থাৎ পঞ্চাশোর্ধ রোগীর সংখ্যা ।


তাই আমরা বলতে পারি যে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন তরুণীর কিন্তু মারা যাচ্ছেন তাই পরিবারের সুরক্ষার স্বার্থে কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলছেন স্বাস্থ্য সংস্থা গুলো ছিল আজকের বিশ্লেষণে।


এই পোস্টগুলি আপনার ভাল লাগতে পারে